৬ষ্ঠ শ্রেণি এসাইনমেন্ট ৭ম শ্রেণি এসাইনমেন্ট ৮ম শ্রেণি এসাইনমেন্ট ৯ম শ্রেণি এসাইনমেন্ট আলিম এসাইনমেন্ট ২০২১ এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ এসাইনমেন্ট সকল শ্রেণি দাখিল এসাইনমেন্ট ২০২১ ভোকেশনাল এসাইনমেন্ট

স্বাস্থ্য সনদ পেলে ডিসেম্বরেই মাধ্যমিকে ২১৫৫ শিক্ষক নিয়োগ

পুলিশ ভেরিফিকেশনে আটকে গেছে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম। প্রায় দুই বছর পার হতে চললেও এখনো এ নিয়োগ কার্যক্রম ঝুলে আছে। তবে ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ। এখন স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেলে যোগদান কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানা গেছে, দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শূন্যপদে দুই হাজার ১৫৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগামী এক অথবা দুই মাসের মধ্যে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান করানো শুরু হবে। ইতোমধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ করা হয়েছে।

জানা যায়, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর পিএসসি দুই হাজার ১৫৫ জনকে সরকারি মাধ্যমিকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে। এরপর তাদের ব্যক্তিগত জীবনের তথ্য সংগ্রহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ শুরু করা হয়। সম্প্রতি তাদের যোগদান শুরু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে মতামত চাওয়া হয়। যোগদান পাওয়ার পাঁচ বছর পর এসব শিক্ষক বিএড সম্পন্ন করবেন। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মতামত পেলে সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান শুরু করা হবে।

জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ ইমামুল হক জাগো নিউজকে বলেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের জন্য পিএসসির নির্বাচিত প্রার্থীদের ভেরিভিকেশন কাজ শেষ বর্তমানে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ চলছে। এ প্রতিবেদন পেলে একটি নির্দেশনা জারির মাধ্যমে সবাইকে যোগদান করতে বলা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের ৩১৯টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সঙ্কট রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে সর্বশেষ ২০১১ সালে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। এরপর থেকে বিসিএস নন-ক্যাডারদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছিল। তবে বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে স্কুলগুলোর জন্য বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছিল না।

এছাড়াও বিসিএসের নন-ক্যাডার থেকে যারা শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়ে আসেন, তাদের বেশিরভাগই পরে অন্য চাকরিতে চলে যান। এতে বিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক সঙ্কট থেকেই যায়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষকশূন্য রাখা হবে না- সরকারের এমন ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এককভাবে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করে পিএসসি।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে তার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত বছর মৌখিক পরীক্ষা নেয়ার পরে ২৯ ডিসেম্বর পিএসসি তাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে।

জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন কাজ শেষে এক মাস আগে থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এটি আগামী এক বা দুই মাসের মধ্যে শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন তৈরির কাজ শেষ হলে যোগদান দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা কাজ যাতে দ্রুত সময়ে শেষ হয় সে জন্য আমরা সর্বক্ষণ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। করোনা পরিস্থিতির কারণে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন হওয়ায় দ্রুত শেষ করে আমাদের প্রতিবেদন পাঠাতেও অনুরোধ জানিয়েছি। আশা করছি আর বেশিদিন এটি ঝুলে থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ২০২০ সাল পর্যন্ত শূন্য আসনে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তার সঙ্গে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কী পরিমাণ শিক্ষক শূন্য হতে পারে তার তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চাওয়া হয়েছে। পরবর্তী বিসিএস পরীক্ষার নন-ক্যাডার থেকে সেসব পদে নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানান তিনি। সূত্রঃ জাগো নিউজ



 আমাদের বিসিএস গ্রুপে যোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *